৯২ শিক্ষার্থীর সোয়া ৮ কোটি টাকা আত্মসাৎ: ৪ আসামি রিমান্ডে, আদালত চত্বরে উত্তেজনা
বিদেশে উচ্চশিক্ষার স্বপ্নে প্রতারিত ৯২ শিক্ষার্থীর প্রায় সোয়া আট কোটি টাকা আত্মসাতের মামলায় চারজনকে রিমান্ডে পাঠানো হয়েছে। আদালত চত্বরে আসামিদের উপস্থিতি ঘিরে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ দেখা যায়।

৯২ জন আগ্রহী শিক্ষার্থীর কাছ থেকে প্রায় সোয়া আট কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় 'ভিসা গাইড' ও 'জাস্ট থট এডুকেশন কনসালট্যান্ট' সংশ্লিষ্ট চার আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে রিমান্ডে পাঠিয়েছেন আদালত। আজ ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলাম এই আদেশ দেন, যার মধ্যে মূলহোতা মোহাম্মদ হারুন অর রশিদ ওরফে মো. মতিউর রহমানও রয়েছেন।
আদালতে হাজির করার সময় বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা পুলিশি হেফাজতে থাকা আসামিদের ওপর হামলার চেষ্টা চালায়। পুলিশ দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং হাজতখানার ফটক বন্ধ করে দেয়। ভাটারা থানার উপপরিদর্শক বিল্লাল ভূঁইয়া রিমান্ডের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এ মামলায় প্রধান তিন আসামি মতিউর রহমান, রাবেয়া খাতুন তানিয়া ও সাইদুর রহমানকে পাঁচ দিন করে এবং তানজির ইসলামকে চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়েছে। এছাড়া, আরেক আসামি মাশায়ের রহমান স্বেচ্ছায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেওয়ায় তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
'ভিসা গাইড' ও 'জাস্ট থট এডুকেশন কনসালট্যান্ট' স্টুডেন্ট ভিসার মাধ্যমে বিদেশে পাঠানোর আশ্বাস দিয়ে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে অর্থ আদায় করে। পরে নির্ধারিত সময়ে কাউকেই বিদেশে পাঠানো হয়নি এবং ৮ কোটি ৩৮ লাখ ৯৪ হাজার টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে। এর ফলস্বরূপ, ভুক্তভোগীরা আল-আমিনের মাধ্যমে ভাটারা থানায় একটি মামলা দায়ের করেন, যেখানে ১৩ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছিল।
তথ্য যাচাই
ঘটনাপ্রবাহ
মন্তব্য
- আআরিফ হাসান
গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত, দ্রুত বাস্তবায়ন কামনা করি।
- ননাফিসা তাবাসসুম
প্রতিবেদনটি খুবই তথ্যবহুল হয়েছে।
- সসজীব রায়
বেসরকারি খাতেও সমন্বয় জরুরি।