বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬
নাগরিকবার্তা২৪
প্রযুক্তি

হার্ডডিস্কে একটি মুভি সংরক্ষণে পরমাণুর ব্যবহার: প্রযুক্তিগত বিশ্লেষণ

আধুনিক ডিজিটাল যুগে একটি মুভি সংরক্ষণে কত পরমাণু প্রয়োজন, সেই গাণিতিক হিসাব এবং এর পেছনের প্রযুক্তিগত দিক নিয়ে আলোচনা। একটি ২ ঘণ্টার মুভি কাগজে সংরক্ষণ করতে এক টন ওজনের প্রয়োজন হলেও, ডিজিটাল পদ্ধতিতে তা কীভাবে সহজে সম্ভব হচ্ছে তা তুলে ধরা হয়েছে।

নানাগরিক বার্তা ২৪ প্রতিবেদক১৬ জুলাই, ২০২৬ এ ০৬:৪০ PM· 1 মিনিট পাঠ
হার্ডডিস্কে একটি মুভি সংরক্ষণে পরমাণুর ব্যবহার: প্রযুক্তিগত বিশ্লেষণ
হার্ডডিস্কে একটি মুভি সংরক্ষণে পরমাণুর ব্যবহার: প্রযুক্তিগত বিশ্লেষণ
পাঠ মোড
18

আগেকার দিনে রিল বা ভিডিও ক্যাসেটে মুভি দেখা হলেও, এখন তা কম্পিউটার মাউস বা রিমোট কন্ট্রোলের কয়েকটি ক্লিকে ল্যাপটপ বা স্মার্ট টিভি পর্দায় ভেসে ওঠে। এই ডিজিটাল পরিবর্তন মুভিকে আর বস্তুগত বলে মনে না হলেও, যেকোনো মুভি বা ছবি মানেই তথ্য, যা কোনো না কোনো মাধ্যমে ভৌত পরিবর্তনের মাধ্যমে জমা থাকে। যেমন, রঙিন দৃশ্যের তথ্য স্ক্রিনের পিক্সেল নিয়ন্ত্রণে কাজে লাগে।

কম্পিউটারের হার্ড ড্রাইভ ছোট ছোট চৌম্বকীয় নেইলের দিক পরিবর্তনের মাধ্যমে তথ্য জমা রাখে। একটি ২ ঘণ্টার মুভি যদি কাগজে সংরক্ষণ করা হয়, তাহলে প্রতি সেকেন্ডে ৩০টি এ৪ আকারের ফটোগ্রাফিক কাগজ প্রয়োজন হবে, মোট ২১৬,০০০টি কাগজ। প্রতিটি কাগজের ওজন ৫ গ্রাম হলে, মোট ওজন দাঁড়াবে এক টনেরও বেশি, যা এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় নিতে একটি ট্রাকের প্রয়োজন হবে। এসব কাগজের পরমাণুর সংখ্যা প্রায় ১০^২৯ টি।

তবে হার্ডডিস্ক বা পেনড্রাইভের মতো আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে এই বিপুল সংখ্যক পরমাণুর ব্যবহারকে বিস্ময়করভাবে কমিয়ে আনা হয়েছে। এই প্রযুক্তি অনুযায়ী, ডিজিটাল মাধ্যমে যেকোনো তথ্য বাইনারি পদ্ধতিতে (১ এবং ০) সংরক্ষণ করা হয়। যেমন, ইংরেজি ‘A’ অক্ষর কম্পিউটারে ৬৫ সংখ্যা হিসেবে চেনা হয়, যা বাইনারিতে 01000001।

ল্যাপটপের পর্দায় বিভিন্ন রংও বাইনারি পদ্ধতির মাধ্যমেই প্রদর্শিত হয়। এই ডিজিটাল পদ্ধতি ব্যবহার করে, যে তথ্য সংরক্ষণে এক টন কাগজ লাগত, সেটি এখন এমনভাবে জমা ও স্থানান্তর করা সম্ভব হচ্ছে যেন তার কোনো ওজনই নেই। এটি আধুনিক প্রযুক্তির একটি উল্লেখযোগ্য দিক।

তথ্য যাচাই

AI • Fact Check

ঘটনাপ্রবাহ

AI • Timeline
এই সংবাদটি শেয়ার করুন

মন্তব্য

3 মন্তব্য
  • আরিফ হাসান

    গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত, দ্রুত বাস্তবায়ন কামনা করি।

  • নাফিসা তাবাসসুম

    প্রতিবেদনটি খুবই তথ্যবহুল হয়েছে।

  • সজীব রায়

    বেসরকারি খাতেও সমন্বয় জরুরি।