সুন্দরবনে বাঘ অবমুক্তকরণ প্রক্রিয়া নিয়ে বিতর্ক
বাংলাদেশের বন্য প্রাণী সংরক্ষণের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো সুন্দরবনে একটি বাঘ অবমুক্ত করা হয়েছে। তবে এই প্রক্রিয়া নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠেছে।

গত ১২ জুলাই চোরা শিকারিদের ফাঁদে পড়ে আহত হওয়া একটি বাঘিনীকে সুস্থ করে সুন্দরবনে অবমুক্ত করা হয়, যা দেশের বন্য প্রাণী সংরক্ষণে একটি উল্লেখযোগ্য ঘটনা হিসেবে বিবেচিত। তবে আন্ধারমানিক ইকোট্যুরিজম কেন্দ্রের অদূরে শ্যালা নদীর তীরে বাঘিনীটিকে অবমুক্ত করার পদ্ধতি আন্তর্জাতিক প্রটোকল মেনে হয়নি বলে অভিযোগ উঠেছে।
বাঘিনীটিকে অবমুক্ত করার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে, যেখানে দেখা যায়, প্রাণীটি ঠিকমতো দাঁড়াতে বা হাঁটতে পারছিল না এবং বারবার ডানে-বাঁয়ে হেলে পড়ছিল। সে সময় অনেক মানুষের হইচই, ইঞ্জিন ও ড্রোনের শব্দ ছিল, যা প্রাণীটির জন্য অনুকূল পরিবেশ ছিল না।
সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মো. রেজাউল করিম চৌধুরী জানান, বাঘিনীটি প্রাথমিকভাবে দুর্বল থাকলেও পরে প্রায় দেড় শ মিটার পথ হেঁটেছে বলে তার পায়ের ছাপ থেকে নিশ্চিত হওয়া গেছে। তিনি মনে করেন, বাঘিনীটিকে আরও কিছুক্ষণ পর ছাড়া হলে ভালো হতো।
অতিরিক্ত মানুষের উপস্থিতি, উচ্চ শব্দ এবং অবমুক্তকরণের জন্য অনুপযুক্ত পরিবেশ নিয়ে ওয়াইল্ড টিমের প্রধান নির্বাহী ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের সাবেক অধ্যাপক আনোয়ারুল ইসলাম উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তিনি উল্লেখ করেন, বাঘিনীটি দীর্ঘ সময় ধরে অচেতন অবস্থায় খাঁচায় ছিল এবং কোনো প্রকার খাবার বা পানি গ্রহণ করেনি।
তথ্য যাচাই
ঘটনাপ্রবাহ
মন্তব্য
- আআরিফ হাসান
গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত, দ্রুত বাস্তবায়ন কামনা করি।
- ননাফিসা তাবাসসুম
প্রতিবেদনটি খুবই তথ্যবহুল হয়েছে।
- সসজীব রায়
বেসরকারি খাতেও সমন্বয় জরুরি।