বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬
নাগরিকবার্তা২৪
খেলা

মেসি-ইয়ামাল ক্যামেরাবন্দী: একটি ঐতিহাসিক ছবির নেপথ্য কাহিনি

২০০৭ সালে বার্সেলোনা ফাউন্ডেশনের একটি দাতব্য ক্যালেন্ডারের জন্য লিওনেল মেসি ও লামিনে ইয়ামালের একটি ছবি তোলা হয়েছিল। সম্প্রতি বিশ্বকাপ ফাইনালের আগে সেই ছবির পেছনের গল্পটি নতুন করে মনোযোগ আকর্ষণ করেছে।

নানাগরিক বার্তা ২৪ প্রতিবেদক১৬ জুলাই, ২০২৬ এ ০৮:০০ PM· 1 মিনিট পাঠ
মেসি-ইয়ামাল ক্যামেরাবন্দী: একটি ঐতিহাসিক ছবির নেপথ্য কাহিনি
মেসি-ইয়ামাল ক্যামেরাবন্দী: একটি ঐতিহাসিক ছবির নেপথ্য কাহিনি
পাঠ মোড
18

২০০৭ সালের ডিসেম্বরে বার্সেলোনার এক স্টুডিওতে একটি দাতব্য ক্যালেন্ডার তৈরির জন্য লিওনেল মেসি ও পাঁচ মাস বয়সী লামিনে ইয়ামালের ছবি তোলা হয়। এই ক্যালেন্ডারের উদ্দেশ্য ছিল ইউনিসেফসহ বিভিন্ন দাতব্য প্রতিষ্ঠানে অর্থ সংগ্রহ করা। ক্লাবের ১২ জন ফুটবলারের সঙ্গে শিশুদের ছবি তুলে প্রতি বছর ক্যালেন্ডারটি বিক্রি করা হতো।

ছবিটি তোলার সময় লিওনেল মেসি ২০ বছর বয়সী এক লাজুক তরুণ ছিলেন, যিনি তখনো বিশ্বসেরা তকমা পাননি। আলোকচিত্রী হুয়ান মনফোর্তের মতে, মেসি এবং শিশু ইয়ামালের মধ্যে স্বাভাবিক পরিস্থিতি তৈরি করা ছিল একটি চ্যালেঞ্জিং কাজ। ইয়ামালের মা শেইলা এবানার উপস্থিতির মাধ্যমে পরিস্থিতি কিছুটা সহজ হয়েছিল।

লামিনে ইয়ামাল ২০১৪ সালে বার্সেলোনার লা মাসিয়া একাডেমিতে যোগ দেন এবং দ্রুতই তার ফুটবল প্রতিভা বিকশিত হয়। ২০২৩ সালে মাত্র ১৫ বছর বয়সে লা লিগায় অভিষেক এবং একই বছর ১৬ বছর বয়সে স্পেনের জাতীয় দলে সুযোগ পান তিনি। বর্তমানে তিনি স্পেন ফুটবলের অন্যতম উজ্জ্বল তারকা।

২০২৪ ইউরোর সময় ইয়ামালের বাবা ছবিটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করলে সেটি ব্যাপক ভাইরাল হয়। আলোকচিত্রী হুয়ান মনফোর্ত নিজেও প্রথমে ছবিটি তোলা শিশুটিকে চিনতে পারেননি। তিনি বর্তমানে ফ্রিল্যান্স আলোকচিত্রী হিসেবে কাজ করেন এবং এই ছবিটিকে তার জীবনের সবচেয়ে বিখ্যাত কাজ বলে মনে করেন।

তথ্য যাচাই

AI • Fact Check

ঘটনাপ্রবাহ

AI • Timeline
এই সংবাদটি শেয়ার করুন

মন্তব্য

3 মন্তব্য
  • আরিফ হাসান

    গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত, দ্রুত বাস্তবায়ন কামনা করি।

  • নাফিসা তাবাসসুম

    প্রতিবেদনটি খুবই তথ্যবহুল হয়েছে।

  • সজীব রায়

    বেসরকারি খাতেও সমন্বয় জরুরি।