বৃষ্টি ও ঢলে ঘর বিধ্বস্ত, আশ্রয় ও পুনর্বাসনের দাবি স্থানীয়দের
টানা বৃষ্টি ও উজানের ঢলে সাতকানিয়ার কেঁওচিয়া গ্রামে ঘর বিধ্বস্ত হয়েছে, নিঃস্ব হয়েছেন অনেকে। ত্রাণের বদলে একটি মাথা গোঁজার ঠাঁই চাইছেন ক্ষতিগ্রস্তরা।

সাম্প্রতিক অতিবৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলের কারণে চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলার কেঁওচিয়া গ্রাম ব্যাপকভাবে প্লাবিত হয়েছে। এতে সেখানকার বহু ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যার মধ্যে আবদুল মালেকের বাঁশ ও টিনের তৈরি বসতঘরও পুরোপুরি ধসে পড়েছে। তার পরিবারের সকল আসবাবপত্র ও মাটির চুলা কাদায় চাপা পড়ে ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে পড়েছে।
১০ জুলাই পানি প্রবেশ করার পর মালেক সপরিবারে নিরাপদ আশ্রয়ে চলে যান, কিন্তু তিন দিন পানিতে ডুবে থাকার পর তার পৈতৃক বসতঘরটি সম্পূর্ণভাবে ধসে গেছে। বর্তমানে তিনি স্ত্রী ও দুই কন্যাকে নিয়ে এক স্বজনের বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছেন, কারণ স্বল্প দৈনিক আয় দিয়ে নতুন করে ঘর তৈরি বা ভাড়া নিয়ে থাকা তার পক্ষে অসম্ভব।
ক্ষতিগ্রস্ত আবদুল মালেক জানান, তার ত্রাণের চেয়ে একটি থাকার ঘরের প্রয়োজন, যা তার পরিবারকে পুনরায় মাথা গোঁজার ঠাঁই দেবে। তিনি সরকারের কাছে দ্রুত পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করার আবেদন জানিয়েছেন, কারণ নতুন করে ঘর নির্মাণের আর্থিক সামর্থ্য তার নেই।
সাতকানিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) খোন্দকার মাহমুদুল হাসান জানিয়েছেন যে, উপজেলার ১৭টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা প্লাবিত হয়েছিল এবং বর্তমানে ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণাঙ্গ চিত্র তৈরির কাজ চলছে। তিনি আশ্বাস দিয়েছেন যে, ক্ষতিগ্রস্তদের দ্রুত পুনর্বাসনের বিষয়ে পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
তথ্য যাচাই
ঘটনাপ্রবাহ
মন্তব্য
- আআরিফ হাসান
গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত, দ্রুত বাস্তবায়ন কামনা করি।
- ননাফিসা তাবাসসুম
প্রতিবেদনটি খুবই তথ্যবহুল হয়েছে।
- সসজীব রায়
বেসরকারি খাতেও সমন্বয় জরুরি।