ফুটবল বিশ্বকাপ: লেখকের চোখ দিয়ে ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা ও স্মৃতি
ফুটবল নিয়ে অনাগ্রহী এক লেখকের মেক্সিকো বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার জয় ঘিরে ব্যক্তিগত উপলব্ধি এবং প্রেমিকার সাথে সম্পর্কের টানাপোড়েনের স্মৃতিচারণা।
প্রথম আলো সাহিত্য সাময়িকীতে প্রথম প্রকাশিত এই লেখাটি অনলাইন পাঠকদের জন্য উপস্থাপন করা হয়েছে। লেখক হিসেবে হোর্হে লুইস বোর্হেস ফুটবলকে 'নন্দনতাত্ত্বিকভাবে বাজে খেলা' বলতেন, যেখানে মোরগের লড়াইকে তিনি অধিকতর আকর্ষণীয় মনে করতেন। লেখকের নিজেরও ফুটবলের প্রতি তেমন আকর্ষণ ছিল না, যদিও তিনি মারাদোনার ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে করা দ্বিতীয় গোলের সৌন্দর্যের প্রশংসা করেন। তিনি বেসবলকে ফুটবলের চেয়ে 'সাহিত্যিক' মনে করতেন।
১৯৮৬ সালের মেক্সিকো বিশ্বকাপের সময় লেখকের ব্যক্তিগত জীবন ছিল টানাপোড়েনের মধ্য দিয়ে। প্রেমিকার সঙ্গে সম্পর্কের জটিলতা এবং ফুটবল দেখা—এই দুটি বিষয় মিলেমিশে একাকার হয়ে গিয়েছিল। ছোটবেলায় ফুটবলের প্রতি তার কোনো বিশেষ ঝোঁক ছিল না এবং স্টেডিয়ামে যাওয়া তার কাছে ছিল এক বিরল অভিজ্ঞতা। রক কনসার্ট ছাড়া ১৯৮৬ সাল পর্যন্ত তিনি স্টেডিয়ামে যাননি এবং পরে সান লোরেন্সো ও বেলেসের মধ্যকার বিখ্যাত ফুটবল ম্যাচের মধ্য দিয়ে তার স্টেডিয়াম অভিজ্ঞতা হয়।
লেখকের পরিবারেও ফুটবল নিয়ে কোনো বিশেষ মাতামাতি ছিল না। বরং তার বাবা বাস্কেটবল খেলতেন। ফলে কোনো নির্দিষ্ট দলের প্রতি তার সমর্থনও তৈরি হয়নি। ম্যাগাজিনে কাজ করতে করতে যখন বিশ্বকাপ বিষয়ক লেখালেখির প্রয়োজন হলো, তখন দূর থেকে খেলোয়াড়দের চিনতে শুরু করেন এবং বিশ্বাস জন্মে যে এবারের বিশ্বকাপ আর্জেন্টিনারই হবে।
তবে মেক্সিকো বিশ্বকাপ লেখকের জন্য উৎসবের পরিবর্তে পরিণত হয় ব্যক্তিগত এক মোড়ে। হোর্হে লুইস বোর্হেসের মৃত্যুর দিন এবং বুয়েনোস আইরেসের মেক্সিকো স্ট্রিটে মায়ের বাসায় অবস্থান—এই সব স্মৃতি তাকে আবেগপ্রবণ করে তোলে। মারাদোনার অবিশ্বাস্য গোলকে তিনি 'অপার্থিব' বলে মনে করেন, যার পেছনে কোনো কারিগরি কৌশল ছিল না। বিশ্বকাপ জয়ের রাতে তার প্রেমিকার সঙ্গে সম্পর্কের শেষ দেখতে পান, যেন অতিরিক্ত সময়ে গড়িয়ে যাওয়া এক খেলা যা শেষ পর্যন্ত পরাজিত হয়।
তথ্য যাচাই
ঘটনাপ্রবাহ
মন্তব্য
- আআরিফ হাসান
গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত, দ্রুত বাস্তবায়ন কামনা করি।
- ননাফিসা তাবাসসুম
প্রতিবেদনটি খুবই তথ্যবহুল হয়েছে।
- সসজীব রায়
বেসরকারি খাতেও সমন্বয় জরুরি।