প্রথম পারমাণবিক বোমার নেপথ্যে: ম্যানহাটন প্রকল্পে কারা কী জানতেন?
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শেষলগ্নে, ১৯৪৫ সালের জুলাই মাসে অত্যন্ত গোপনে প্রথম পারমাণবিক বোমার বিস্ফোরণ ঘটানো হয়, যা 'ম্যানহাটন প্রজেক্ট'-এর ফল ছিল। এটি ইতিহাসের গতিপথ বদলে দিয়েছিল এবং হিরোশিমা-নাগাসাকির ঘটনার পথ প্রশস্ত করেছিল।

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির ইতিহাসে ১৯৪৫ সালের ১৬ জুলাই ছিল এক যুগান্তকারী মুহূর্ত যখন নিউ মেক্সিকোর মরুভূমিতে প্রথম পারমাণবিক বোমা 'ট্রিনিটি টেস্ট' হিসাবে বিস্ফোরিত হয়। সকাল ৫টা ২৯ মিনিটে ঘটানো এই বিস্ফোরণ ছিল মানব ইতিহাসের প্রথম পারমাণবিক পরীক্ষা। এটি কেবল বিশ্বরাজনীতিকেই বদলে দেয়নি, বরং বিজ্ঞানীদের জন্য নতুন গবেষণার পথ খুলে দেয়।
নাৎসি জার্মানির পারমাণবিক বোমা তৈরির আশঙ্কায় যুক্তরাষ্ট্র শুরু করেছিল 'ম্যানহাটন প্রজেক্ট', যার নেতৃত্বে ছিলেন বিজ্ঞানী জে রবার্ট ওপেনহেইমার। লস আলামোসের গবেষণাগারে শত শত বিজ্ঞানী দিনরাত কাজ করেছেন। এই প্রকল্পের উদ্দেশ্য ছিল পরমাণুর শক্তিকে গণবিধ্বংসী অস্ত্রের রূপ দেওয়া, যেমনটি ১৯৩৯ সালে আলবার্ট আইনস্টাইন ও লিও সিলার্ড প্রেসিডেন্ট রুজভেল্টকে চিঠিতে জানিয়েছিলেন।
১৯৪২ সালে যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধে জড়িয়ে পড়লে এবং জার্মানির পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে উদ্বেগ বাড়লে, ওয়ার ডিপার্টমেন্ট এই প্রকল্পে আরও সক্রিয় হয়ে ওঠে। ব্রিগেডিয়ার-জেনারেল লেসলি আর গ্রোভসকে এর সম্পূর্ণ দায়িত্বে আনা হয়। শিকাগো বিশ্ববিদ্যালয়ে এনরিকো ফার্মি প্রথম ফিশন চেইন রিঅ্যাকশন ঘটান এবং পরে নিউ মেক্সিকোর লস আলামোসে ওপেনহেইমারের নেতৃত্বে 'প্রজেক্ট ওয়াই' ক্রিটিক্যাল মাস অর্জনের সমস্যা সমাধান করে।
তথ্য যাচাই
ঘটনাপ্রবাহ
মন্তব্য
- আআরিফ হাসান
গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত, দ্রুত বাস্তবায়ন কামনা করি।
- ননাফিসা তাবাসসুম
প্রতিবেদনটি খুবই তথ্যবহুল হয়েছে।
- সসজীব রায়
বেসরকারি খাতেও সমন্বয় জরুরি।