দুইবার আত্মহত্যার প্রচেষ্টা শেষে জীবনযুদ্ধে নাঈম তুষারের ঘুরে দাঁড়ানোর গল্প
মানসিক চাপ ও হতাশা থেকে দুইবার আত্মহত্যার চিন্তা করেও ফিরে এসেছেন অভিনেতা ও চিত্রগ্রাহক নাঈম তুষার। সিনেমা ও সেবামূলক কাজের মাধ্যমে তিনি নতুন করে বাঁচতে শিখেছেন।

অভিনেতা ও চিত্রগ্রাহক নাঈম তুষার তীব্র মানসিক চাপ ও অর্থনৈতিক সংকটের কারণে জীবনে দুইবার আত্মহত্যার কথা ভেবেছিলেন। প্রথমবার ২০০০ সালের দিকে মাদকে আসক্ত হয়ে এবং দ্বিতীয়বার ব্যক্তিগত ও পারিবারিক কিছু সমস্যার সম্মুখীন হয়ে তিনি এমন সিদ্ধান্তে উপনীত হন। তার কথায়, সবকিছু অর্থহীন মনে হওয়ায় জীবনের প্রতি মায়া হারিয়ে ফেলেছিলেন তিনি।
তবে সংকটময় মুহূর্তে 'অতল' নামক একটি সিনেমায় কাজের সুযোগ নাঈমের জীবনকে সম্পূর্ণ ভিন্ন পথে পরিচালিত করে। যুবরাজ শামীম পরিচালিত এই সিনেমাটি ৪৮তম মস্কো আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে নির্বাচিত হয়েছে, যেখানে নাঈম প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন। সেই মুহূর্তে শুটিংয়ে যুক্ত হওয়াকে তিনি 'সুইসাইড থেকে বাঁচানো' এবং 'জীবনের নতুন অর্থ' হিসেবে বর্ণনা করেছেন।
নাঈমের দ্বিতীয়বার ঘুরে দাঁড়ানোর গল্পটি আরও গভীর। মাদকাসক্তি থেকে মুক্তি পাওয়ার পর তিনি নিজেই 'আমার হোম' নামে একটি নিরাময় কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করেন। সেখানে মাদকাসক্তদের কাউন্সেলিং ও সহযোগিতার মাধ্যমে স্বাভাবিক জীবনে ফেরাতে কাজ করেন। তার মতে, অন্যের জন্য কিছু করাই বাঁচার মূল মন্ত্র।
নাঈম তুষার তার অভিজ্ঞতার আলোকে বলেছেন যে, জীবনে চ্যালেঞ্জ আসবেই, কিন্তু ঘুরে দাঁড়ানোই মূল কথা। প্রতিটি কঠিন সময় থেকে ফিরে এসে তিনি অনুভব করেছেন, জীবন একবারই আসে এবং এটিকে সার্থক করে তুলতে হবে। অভিনেতা হিসেবে পরিচিত হলেও, ফটোগ্রাফি এবং চিত্রগ্রহণ নিয়েই তার মূল আগ্রহ বলে তিনি জানিয়েছেন।
তথ্য যাচাই
ঘটনাপ্রবাহ
মন্তব্য
- আআরিফ হাসান
গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত, দ্রুত বাস্তবায়ন কামনা করি।
- ননাফিসা তাবাসসুম
প্রতিবেদনটি খুবই তথ্যবহুল হয়েছে।
- সসজীব রায়
বেসরকারি খাতেও সমন্বয় জরুরি।