খুলনার শিল্প সম্ভাবনার নতুন দিগন্ত উন্মোচন
খুলনায় পাট, চিনি ও হিমাগার শিল্প স্থাপনে ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে, যা পরিবেশবান্ধব উপায়ে গড়ে তোলা সম্ভব। শিল্প বিকাশে সরকারি-বেসরকারি উদ্যোগ এবং কার্যকর নীতি প্রণয়ন জরুরি।

সম্প্রতি খুলনায় পাট, চিনি, জাহাজ নির্মাণ ও হিমাগার শিল্প স্থাপনে উজ্জ্বল সম্ভাবনার কথা তুলে ধরেছেন উদ্যোক্তারা। এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (এডিবি) এবং সাউথ এশিয়ান নেটওয়ার্ক অন ইকোনমিক মডেলিংয়ের (সানেম) সহযোগিতায় বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) আয়োজিত এক বিভাগীয় ওয়ার্কশপে এই আলোচনা হয়। সুন্দরবনের সন্নিকটে পরিবেশবান্ধব শিল্প প্রতিষ্ঠা করার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে, যা সরকারি ও বেসরকারি উভয় স্তরে উদ্যোগের মাধ্যমে সম্ভব।
এই কর্মশালার মূল লক্ষ্য ছিল বিনিয়োগকারীরা যে সমস্যাগুলির সম্মুখীন হন, তা চিহ্নিত করা এবং সেগুলির সমাধানের পথ খুঁজে বের করা। সানেমের নির্বাহী পরিচালক সেলিম রায়হান উল্লেখ করেন যে, এমন একটি সুসংগঠিত তথ্যভান্ডার তৈরি করা হবে যা বিনিয়োগকারীদের সহায়তা করবে এবং সরকারকে কার্যকর নীতি প্রণয়নে সাহায্য করবে। বিডার মহাপরিচালক গাজী এ কে এম ফজলুল হক বলেন, এই জরিপ সরকারের নীতি প্রণয়নে একটি স্পষ্ট চিত্র দেবে।
এডিবি বাংলাদেশের পাবলিক সেক্টর ইকোনমিস্ট তাসনিম আলম জানান, বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত হওয়ার প্রক্রিয়ায় রয়েছে। এই উত্তরণে আরও বেশি বিনিয়োগকারী প্রয়োজন। খুলনার অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার সিফাত মেহনাজ জমির সঠিক ব্যবহার এবং আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে কৃষির উন্নতি করার গুরুত্ব তুলে ধরেন। তিনি বলেন, রপ্তানিযোগ্য ফলের অপচয় রোধে নতুন হিমাগার স্থাপন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
আচিয়া সি ফুডসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. তরিকুল ইসলাম বলেন, ক্রমবর্ধমান ভোগের চাহিদা মেটাতে নতুন নতুন শিল্পের প্রয়োজন। বিডার মহাপরিচালক জোর দেন যে, বিনিয়োগ অবশ্যই যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ায় হতে হবে এবং অভ্যন্তরীণ বিনিয়োগ শক্তিশালীকরণ বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণের প্রথম ধাপ। স্থানীয় বিনিয়োগকারীদের সন্তুষ্ট রাখা অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির জন্য অত্যাবশ্যক।
তথ্য যাচাই
ঘটনাপ্রবাহ
মন্তব্য
- আআরিফ হাসান
গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত, দ্রুত বাস্তবায়ন কামনা করি।
- ননাফিসা তাবাসসুম
প্রতিবেদনটি খুবই তথ্যবহুল হয়েছে।
- সসজীব রায়
বেসরকারি খাতেও সমন্বয় জরুরি।