আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ যাত্রা: সংখ্যায় পরিসংখ্যানে ফাইনালে ওঠার খতিয়ান
বিশ্বকাপ সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডকে হারিয়ে ফাইনালে উঠেছে আর্জেন্টিনা। এই রোমাঞ্চকর ম্যাচে দল ও লিওনেল মেসি একাধিক রেকর্ড গড়েছেন, যার বিস্তারিত পরিসংখ্যান তুলে ধরা হলো।
কাতার বিশ্বকাপে সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডকে পরাজিত করে আর্জেন্টিনা ষষ্ঠবারের মতো বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠেছে। ১৯৮৬ ও ১৯৯০ সালের পর এই প্রথম তারা টানা দুবার ফাইনাল খেলার সুযোগ লাভ করেছে। এই জয় আর্জেন্টিনাকে প্রতিযোগিতার ইতিহাসে সর্বোচ্চ আটবার ফাইনাল খেলা জার্মানির কাছাকাছি নিয়ে এসেছে, যেখানে আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিল উভয়েই সাতবার করে ফাইনাল খেলে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে।
এই সেমিফাইনাল ম্যাচটি আরও একটি ঐতিহাসিক ঘটনার সাক্ষী, যেখানে ফিফা র্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষ দুটি দল মুখোমুখি হয়েছে। ১৯৯২ সালে র্যাঙ্কিং প্রবর্তনের পর এই প্রথম বিশ্বকাপ ম্যাচে এমন পরিস্থিতি দেখা গেল। উপরন্তু, ইতালি (১৯৩৪, ১৯৩৮) এবং ব্রাজিলের (১৯৫৮, ১৯৬২) পর আর্জেন্টিনা ইতিহাসের তৃতীয় দেশ হিসেবে টানা দুবার বিশ্বকাপ জেতার সুযোগ পেয়েছে।
লিওনেল মেসি এই ম্যাচে তাঁর পারফরম্যান্স দিয়ে অসংখ্য রেকর্ড ভেঙেছেন। তিনি বিশ্বকাপে নিজের ৩৩ ম্যাচে ৩৩টি গোলে অবদান রেখেছেন (২১ গোল ও ১২ অ্যাসিস্ট), যা প্রতিযোগিতার ইতিহাসে সর্বোচ্চ। এছাড়া, মেসি ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ৯টি সফল ড্রিবলিং করেছেন এবং গত ৬০ বছরে বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে ১০টি অ্যাসিস্ট করে নতুন রেকর্ড গড়েছেন, যা পেলে ও গ্রিজম্যানের চেয়ে ৬টি বেশি।
মেসি এই বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ গোলদাতা (৮ গোল) এবং অ্যাসিস্টের (৪ অ্যাসিস্ট) তালিকায় যৌথভাবে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন। তিনি আর্জেন্টিনার হয়ে খেলা ১৩টি বড় টুর্নামেন্টের মধ্যে ৮টিতেই ফাইনাল নিশ্চিত করেছেন। সেমিফাইনালে খেলার মাধ্যমে মেসি (৩৯ বছর ২১ দিন) বিশ্বকাপ সেমিফাইনালের ইতিহাসে সবচেয়ে বয়স্ক খেলোয়াড় (গোলকিপার বাদে) হিসেবে খেলার রেকর্ড গড়েছেন।
তথ্য যাচাই
ঘটনাপ্রবাহ
মন্তব্য
- আআরিফ হাসান
গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত, দ্রুত বাস্তবায়ন কামনা করি।
- ননাফিসা তাবাসসুম
প্রতিবেদনটি খুবই তথ্যবহুল হয়েছে।
- সসজীব রায়
বেসরকারি খাতেও সমন্বয় জরুরি।