বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬
নাগরিকবার্তা২৪
জাতীয়

হেলাল হাফিজের কবিতা: গণমানুষের হৃদয়ে তাঁর স্থায়ী আসন

হেলাল হাফিজের অনেক কবিতা মানুষের মুখে মুখে ফেরে, এমনকি দেয়াল লিখনেও ব্যবহার হয়েছে। কেন তাঁর কবিতা এত বেশি জনপ্রিয় এবং সাধারণ মানুষ এত আপন করে নিয়েছেন?

নানাগরিক বার্তা ২৪ প্রতিবেদক১৬ জুলাই, ২০২৬ এ ০৪:০২ PM· 1 মিনিট পাঠ
হেলাল হাফিজের কবিতা: গণমানুষের হৃদয়ে তাঁর স্থায়ী আসন
হেলাল হাফিজের কবিতা: গণমানুষের হৃদয়ে তাঁর স্থায়ী আসন
পাঠ মোড
18

১৯৮৬ সালে প্রকাশিত হেলাল হাফিজের প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘যে জলে আগুন জ্বলে’ সাধারণ মানুষের হৃদয়ে গভীরভাবে স্থান করে নিয়েছে। কেবল সাহিত্যের নিয়মিত পাঠক নন, সাহিত্য সম্পর্কে কম খোঁজখবর রাখা মানুষের মনেও তাঁর কবিতার পঙ্‌ক্তি গভীর আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। এই ব্যাপক গ্রহণযোগ্যতা তাঁকে অন্যান্য কবি থেকে স্বতন্ত্র করে তুলেছে।

কবিতাগুলো ১৯৬৯ থেকে ১৯৮৫ সালের মধ্যে রচিত হয়েছিল, যা বাংলাদেশের ইতিহাসের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনার সময়কালকে ধারণ করে। গণ-অভ্যুত্থান, মুক্তিযুদ্ধ, স্বাধীনতা এবং ব্যক্তিগত জীবনের নানা টানাপোড়েন কবির লেখায় প্রতিফলিত হয়েছে। তাঁর কবিতায় যুদ্ধ, সংগ্রাম, প্রেম, বিরহ ও দ্রোহের মতো বিষয়গুলি মর্মস্পর্শী হয়ে উঠেছে, যা পাঠককে গভীরভাবে নাড়া দেয়।

‘এখন যৌবন যার মিছিলে যাবার তার শ্রেষ্ঠ সময়’ – এই কালজয়ী পঙ্‌ক্তিটি ১৯৬৯ সালের গণ-অভ্যুত্থানের সময় কবির ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা থেকে উৎসারিত। একটি মিছিলের ঘটনায় রিকশাচালকের উক্তি কবির মনে গভীর প্রভাব ফেলে, যা তাকে দেশপ্রেমের এক নতুন সংজ্ঞা দেয় এবং পরবর্তীতে এই পঙ্‌ক্তি রচনায় অনুপ্রাণিত করে।

ব্যক্তিগত জীবনেও হেলাল হাফিজ অনেক প্রতিকূলতার সম্মুখীন হয়েছেন। মাত্র তিন বছর বয়সে মা হারানোর পর, ১৯৭৩ সালে বাবাকে হারান। পিতার মৃত্যুর পর তার প্রেমিকা হেলেনের বিচ্ছেদ তাকে আরও একা করে দেয়। জীবনের এই কঠিন অভিজ্ঞতাগুলো তার কবিতায় এক গভীর মানবিক স্পর্শ যোগ করেছে, যা পাঠকদের সাথে একাত্ম হতে সাহায্য করে।

তথ্য যাচাই

AI • Fact Check

ঘটনাপ্রবাহ

AI • Timeline
এই সংবাদটি শেয়ার করুন

মন্তব্য

3 মন্তব্য
  • আরিফ হাসান

    গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত, দ্রুত বাস্তবায়ন কামনা করি।

  • নাফিসা তাবাসসুম

    প্রতিবেদনটি খুবই তথ্যবহুল হয়েছে।

  • সজীব রায়

    বেসরকারি খাতেও সমন্বয় জরুরি।