বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬
নাগরিকবার্তা২৪
জীবনযাপন

হুমায়ূন আহমেদের নাটক-সিনেমা: জনপ্রিয়তার রহস্য উন্মোচন

প্রখ্যাত সাহিত্যিক ও নির্মাতা হুমায়ূন আহমেদের নাটক-সিনেমা এখনো দর্শক মহলে সমান জনপ্রিয়। প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে তার কাজ কীভাবে এত আগ্রহ ধরে রেখেছে, তা বিশ্লেষণ করা হলো।

নানাগরিক বার্তা ২৪ প্রতিবেদক১৬ জুলাই, ২০২৬ এ ০৪:০১ PM· 1 মিনিট পাঠ
হুমায়ূন আহমেদের নাটক-সিনেমা: জনপ্রিয়তার রহস্য উন্মোচন
হুমায়ূন আহমেদের নাটক-সিনেমা: জনপ্রিয়তার রহস্য উন্মোচন
পাঠ মোড
18

হুমায়ূন আহমেদের প্রয়াণ দিবস ছিল গত ১৯ জুলাই। ২০১২ সালের এই দিনে তিনি না ফেরার দেশে পাড়ি জমান। দীর্ঘ এক দশক পরেও তার নির্মিত নাটক ও সিনেমাগুলি আজও দর্শক মহলে সমান জনপ্রিয়। ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামের মতো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও হুমায়ূন আহমেদের কনটেন্ট এ প্রজন্মের তরুণদের কাছে দারুণভাবে সমাদৃত হচ্ছে।

তার জনপ্রিয় নাটকের মধ্যে 'কোথাও কেউ নেই' (১৯৯২-৯৩) বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। এই নাটকের চরিত্র 'বাকের ভাই'-এর ফাঁসি ঠেকাতে দর্শক রাস্তায় নেমে মিছিল করেছিল, যা এক অতুলনীয় ঘটনা। এই একটি ঘটনাই হুমায়ূন আহমেদের কাজের প্রতি জনসাধারণের গভীর সংযোগ প্রমাণ করে।

হুমায়ূন আহমেদের কাজের অন্যতম বৈশিষ্ট্য ছিল গল্পের নিজস্বতা ও মৌলিকত্ব। তার গল্পগুলো সহজ, সরল এবং জীবনঘনিষ্ঠ হওয়ায় তা দর্শকদের মনে গভীরভাবে রেখাপাত করত। 'বহুব্রীহি' নাটকের একটি দৃশ্যে ছেলের প্রশ্ন অথবা 'আমার আছে জল' সিনেমার গানগুলো আজও দর্শকদের মুগ্ধ করে।

চরিত্র রূপায়ণেও তিনি ছিলেন অদ্বিতীয়। তার সৃষ্ট 'বাকের ভাই', 'হিমু', 'মিসির আলী' ও 'রূপা'-এর মতো চরিত্রগুলো পাঠক ও দর্শকদের আকৃষ্ট করেছে। কাহিনিবিন্যাসের সঙ্গে প্রতিটি চরিত্রকে তিনি নিজস্বতা দিতে পারতেন, যা দর্শকদের আনন্দে ভাসিয়ে দিত। তার নাটকগুলির সংলাপও ছিল সহজবোধ্য ও হৃদয়গ্রাহী, যা দর্শকদের দীর্ঘস্থায়ী আকর্ষণ ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছিল।

তথ্য যাচাই

AI • Fact Check

ঘটনাপ্রবাহ

AI • Timeline
এই সংবাদটি শেয়ার করুন

মন্তব্য

3 মন্তব্য
  • আরিফ হাসান

    গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত, দ্রুত বাস্তবায়ন কামনা করি।

  • নাফিসা তাবাসসুম

    প্রতিবেদনটি খুবই তথ্যবহুল হয়েছে।

  • সজীব রায়

    বেসরকারি খাতেও সমন্বয় জরুরি।