মেসির জাদুতে এলোমেলো ইংল্যান্ড, আর্জেন্টিনার জয়ের নায়ক এলএম১০
লিওনেল মেসির দারুণ পারফরম্যান্সে সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডকে ২-১ গোলে হারিয়ে ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করেছে আর্জেন্টিনা। ম্যাচে মেসি গোল না করলেও তাঁর অনবদ্য উপস্থিতিই ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছে।
আর্জেন্টিনার সেমিফাইনাল জয়ের নায়ক লিওনেল মেসি, যদিও গোলদাতার তালিকায় তাঁর নাম নেই। ৫৫ মিনিট পর্যন্ত ইংল্যান্ড মেসিকে প্রায় আটকে রেখেছিল, কিন্তু এরপরই ম্যাচের চিত্রনাট্য বদলে দেন তিনি। তাঁর ক্যারিয়ারে প্রথমবারের মতো ইংল্যান্ডের মুখোমুখি হয়ে ইংলিশদের এমন অভিজ্ঞতা হয়েছে, যা তারা নিশ্চয়ই ভুলে যেতে চাইবে।
প্রথমার্ধে মেসিকে ইংলিশরা মিডফিল্ডে আটকে রেখেছিল এবং অ্যান্থনি গর্ডনের গোলে এগিয়েও যায় তারা। তবে গোল হজমের পর আর্জেন্টিনা কোচ লিওনেল স্কালোনি মেসিকে মাঠের ডান দিকে সরিয়ে দেন, যা ইংল্যান্ডের রক্ষণ পরিকল্পনা ভেঙে দেয়। এমিলিয়ানো মার্তিনেজও এই কৌশল পরিবর্তনকে 'টার্নিং পয়েন্ট' হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
৫৫ থেকে ৯২ মিনিটের মধ্যে আর্জেন্টিনার দখলে ছিল ৮৮ শতাংশ বল। ম্যাচের ৬৬ থেকে ৮৪ মিনিটের মধ্যে ইংল্যান্ডের সঠিক পাস ছিল মাত্র দুটি। এই সময়ে মেসিই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেন, একা একাধিক ইংলিশ ফুটবলারকে কাটিয়ে ডানে প্রান্ত থেকে আক্রমণ তৈরি করেন এবং সতীর্থদের জন্য সুযোগ তৈরি করেন।
মেসির পাস থেকে এনজো ফার্নান্দেজ সমতা ফেরান এবং যোগ করা সময়ে তাঁর ক্রস থেকেই লাওতারো মার্তিনেজ জয়সূচক গোল করেন। সাবেক ইংলিশ ডিফেন্ডার মিকা রিচার্ডস মেসির 'হেঁটে বেড়ানো' এবং বল পেলেই জ্বলে ওঠার প্রতিভার প্রশংসা করেছেন। জো হার্ট ও হ্যারি কেইনও মেসির প্রভাব স্বীকার করেছেন, যা এই জয় উৎসবে তাঁকে কেন্দ্রীয় চরিত্রে রেখেছে।
তথ্য যাচাই
ঘটনাপ্রবাহ
মন্তব্য
- আআরিফ হাসান
গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত, দ্রুত বাস্তবায়ন কামনা করি।
- ননাফিসা তাবাসসুম
প্রতিবেদনটি খুবই তথ্যবহুল হয়েছে।
- সসজীব রায়
বেসরকারি খাতেও সমন্বয় জরুরি।