মাইলস্টোনের ক্ষতিগ্রস্ত শিক্ষার্থীদের জন্য একটি 'মজার দিন'
যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হওয়ার ঘটনায় আহত মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থীদের মানসিক আঘাত সারিয়ে তুলতে আয়োজিত হলো একটি বিশেষ দিন।

গত বছরের ২১ জুলাই উত্তরার দিয়াবাড়িতে মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হওয়ার ঘটনায় নূরে জান্নাত ইউসাসহ বহু শিক্ষার্থী গুরুতর আহত হয়েছিল। ইউসা এখনও শারীরিক ও মানসিক ট্রমা থেকে বের হতে পারেনি। তার হাতের ব্যথা ও নিহত বন্ধুদের স্মৃতি তাকে এখনো তাড়া করে ফেরে, ফলে স্বাভাবিক পড়াশোনার মনোযোগ বিঘ্নিত হচ্ছে।
এই ট্রমা কাটিয়ে ওঠার লক্ষ্যে, রোটারি ক্লাব অব বনানী, ঢাকা এবং ছুটি রিসোর্ট 'সবুজের মাঝে অমর তোমরা' শিরোনামে একটি কর্মসূচির আয়োজন করে। এর আগেও গত বছর 'হিলিং টুগেদার উইথ মাইলস্টোনস ব্রেভ হার্টস' নামে একটি অনুরূপ আয়োজন করা হয়েছিল। এবারের আয়োজনে মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের ষষ্ঠ, সপ্তম ও অষ্টম শ্রেণির মোট ৬৩ জন শিক্ষার্থী চারজন শিক্ষকসহ অংশ নেয়।
কর্মসূচির শুরুতে ইনোভেশন ফর ওয়েলবিং ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা মনিরা রহমান শিক্ষার্থীদের শ্বাসপ্রশ্বাস ও মাইন্ডফুল এক্সারসাইজ করান। এরপর শিক্ষার্থীরা নিহত ২৮ জন শিক্ষার্থীর স্মরণে ৩৫টি গাছ রোপণ করে। অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ ছিল মেয়েদের মধ্যে ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনার ফুটবল ম্যাচ, যার রেফারি ছিলেন জাতীয় দলের সাবেক ফুটবলার রেহানা পারভীন।
জাতীয় দলের সাবেক ফুটবলার রেহানা পারভীন উল্লেখ করেন যে খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত রাখলে শিশুরা তাদের ট্রমা অনেকটাই ভুলতে পারবে। ছুটি রিসোর্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. সামসুল ইসলাম মাসুদ এবং রোটারি ক্লাব অব বনানী ঢাকার প্রেসিডেন্ট মো. শরীফউল্লাহ ভবিষ্যতে এমন আয়োজনের ধারাবাহিকতা বজায় রাখার ইচ্ছা প্রকাশ করেন।
তথ্য যাচাই
ঘটনাপ্রবাহ
মন্তব্য
- আআরিফ হাসান
গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত, দ্রুত বাস্তবায়ন কামনা করি।
- ননাফিসা তাবাসসুম
প্রতিবেদনটি খুবই তথ্যবহুল হয়েছে।
- সসজীব রায়
বেসরকারি খাতেও সমন্বয় জরুরি।