ফুটবল বিশ্বকাপ: বাবা-ছেলেদের উজ্জ্বল পদাঙ্ক
ফুটবলের জগতে অনেক বাবা-ছেলে জুটি রয়েছেন যারা বিশ্বকাপের মঞ্চে নিজেদের পারফরম্যান্স দিয়ে উজ্জ্বল ছাপ রেখেছেন, কখনও বাবা, আবার কখনও ছেলে নিজেদের প্রতিভার স্বাক্ষর রেখেছেন।
ফুটবল বিশ্বে এমন বহু পিতা-পুত্র জুটি দেখা গেছে, যেখানে বাবা ও ছেলে উভয়েই বিশ্বকাপের মঞ্চে অংশ নিয়েছেন। ইতালির মালদিনি পরিবার এই ধারার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত; সিজার মালদিনি ১৯৬২ সালের বিশ্বকাপে ইতালির ডিফেন্স সামলেছিলেন এবং তার পুত্র পাওলো মালদিনিও শ্রেষ্ঠ ডিফেন্ডারদের একজন হিসেবে চারটি বিশ্বকাপ খেলেন। পাওলোর ছেলে দানিয়েল মালদিনিও ইতালির নিয়মিত খেলোয়াড় হলেও বিশ্বকাপ খেলার সুযোগ পাননি।
ডেনমার্কের পিটার স্মাইকেল এবং ক্যাসপার স্মাইকেল জুটি গোলরক্ষক হিসেবে বিশ্বকাপে নিজেদের দক্ষতার প্রমাণ দিয়েছেন। পিটার ১৯৯৮ বিশ্বকাপে ডেনমার্কের হয়ে খেলেছিলেন, আর তার পুত্র ক্যাসপার ২০১৮ ও ২০২২ সালের বিশ্বকাপে ডেনমার্কের গোলপোস্ট সামলেছেন। নেদারল্যান্ডসের ড্যানি ব্লিন্ড ও ডেলি ব্লিন্ডও উল্লেখযোগ্য বাবা-ছেলে জুটি; ড্যানি ১৯৯০ ও ১৯৯৪ সালের বিশ্বকাপে খেলেছিলেন এবং ডেলি ২০১৪ ও ২০২২ সালের বিশ্বকাপে অংশ নেন। ২০১৪ বিশ্বকাপে ডেলি যখন খেলছিলেন, ড্যানি ছিলেন দলের সহকারী কোচ।
ফ্রান্সের লিলিয়ান থুরাম ও মারকাস থুরাম এবং ব্রাজিলের মাজিনহো ও স্পেনের থিয়াগো আলকানতারাও বিশ্বকাপে তাদের ভূমিকা রেখেছেন। লিলিয়ান থুরাম ১৯৯৮ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত তিনটি বিশ্বকাপে ফ্রান্সের ডিফেন্সের গুরুত্বপূর্ণ অংশ ছিলেন, তার ছেলে মারকাস থুরামও ২০২২ বিশ্বকাপে ফ্রান্সের হয়ে খেলেছেন। অন্যদিকে, মাজিনহো ১৯৯৪ সালের বিশ্বকাপে ব্রাজিলের হয়ে খেলেছিলেন, আর তার পুত্র থিয়াগো আলকানতারা ২০১৮ সালে স্পেনের জার্সি গায়ে বিশ্বকাপে অংশ নেন।
এছাড়া, জিনেদিন জিদান ও তার ছেলে লুকা জিদান এবং নিউজিল্যান্ডের জেনি বিন্ডন ও টাইলার বিন্ডন (মা-ছেলে জুটি) বিশ্বকাপের সাথে জড়িত রয়েছেন। জিনেদিন জিদান ফ্রান্সের ইতিহাসের অন্যতম সেরা ফুটবলার হিসেবে ১৯৯৮ সালের বিশ্বকাপ জেতেন, যদিও তার পুত্র লুকা জিদান ফ্রান্সের মূল দলে সুযোগ না পেয়ে আলজেরিয়ার হয়ে খেলার সিদ্ধান্ত নেন। মা জেনি বিন্ডন ২০০৭ ও ২০১১ সালের বিশ্বকাপে নিউজিল্যান্ডের হয়ে খেলেছিলেন, আর তার ছেলে টাইলার বিন্ডন ২০২৬ সালের বিশ্বকাপে অভিষেক ঘটিয়েছেন, যা বিশ্বকাপ ইতিহাসে প্রথম মা-ছেলে জুটি হিসেবে খেলার রেকর্ড স্থাপন করেছে।
তথ্য যাচাই
ঘটনাপ্রবাহ
মন্তব্য
- আআরিফ হাসান
গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত, দ্রুত বাস্তবায়ন কামনা করি।
- ননাফিসা তাবাসসুম
প্রতিবেদনটি খুবই তথ্যবহুল হয়েছে।
- সসজীব রায়
বেসরকারি খাতেও সমন্বয় জরুরি।