বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬
নাগরিকবার্তা২৪
রাজনীতি

প্রথম বৈশাখে কৈশোরের প্রথম উপার্জন: 'দুই দিনের দোকানি'দের গল্প

পয়লা বৈশাখের মেলায় বন্ধুদের নিয়ে দোকান দিয়েছিলেন লেখক, যা ছিল তার জীবনের প্রথম উপার্জনের অভিজ্ঞতা। পুরনো দিনের স্মৃতিচারণ করে তিনি সেই আনন্দময় মুহূর্তের বর্ণনা দিয়েছেন।

নানাগরিক বার্তা ২৪ প্রতিবেদক১৬ জুলাই, ২০২৬ এ ০৩:৫৮ PM· 1 মিনিট পাঠ
প্রথম বৈশাখে কৈশোরের প্রথম উপার্জন: 'দুই দিনের দোকানি'দের গল্প
প্রথম বৈশাখে কৈশোরের প্রথম উপার্জন: 'দুই দিনের দোকানি'দের গল্প
পাঠ মোড
18

লেখকের ছেলেবেলায় পয়লা বৈশাখ মানেই ছিল কেনাকাটা আর পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানো। বর্তমানে, পুরনো রীতি অনুযায়ী বাবা এখনও তাকে বিকাশে টাকা পাঠান নতুন পোশাকা কেনার জন্য, তবে মা ও বোনের পক্ষ থেকে ছবি পাঠানোর চাপ থাকে। পারিবারিক এই ঐতিহ্য লেখকের কাছে এখনও অমলিন।

ছেলেবেলায় তারা বটগাছের নিচে খেলাধুলা করতেন এবং দোকানি কাকুদের কাছে সুপরিচিত ছিলেন। নববর্ষে দোকান সাজানো এবং মেলায় গিয়ে নাগরদোলা, ম্যাজিক শো দেখে বন্ধুদের সাথে আনন্দ করার স্মৃতিগুলি তার মনে এখনও তাজা।

একবার লেখক ও তার বন্ধুরা মেলায় দোকান দেওয়ার পরিকল্পনা করেন। সপ্তম শ্রেণিতে পড়া অবস্থায় তারা নিজেদের জমানো টাকা দিয়ে তহবিল গঠন করেন। মৌবনী ভদ্রের কাকা মেলার মাতব্বর হওয়ায় মৌবনীর সাহায্যে তারা ৫০ শতাংশ ছাড়ে দোকানের জায়গা পেয়েছিলেন।

দোকানের নাম দেওয়া হয়েছিল 'দুই দিনের দোকানি'। বাবার পরিচিত দোকান থেকে মালামাল এনে ও বন্ধুরা মিলে দোকান সাজিয়েছিলেন তারা। মৌবনী দোকানের জন্য সুন্দর সাইনবোর্ড এঁকেছিল। মেলার দুই দিন তাদের ভীষণ হইচই ও আনন্দের মধ্যে কেটেছিল এবং তারা ৪২১ টাকা লাভ করেছিলেন, যা ছিল তাদের জীবনের প্রথম উপার্জন।

এই স্মৃতিগুলি লেখকের কাছে এখনও অমলিন এবং তিনি যখনই এই দিনগুলির কথা ভাবেন, তখন তার হৃদয় আনন্দে ভরে ওঠে। বৃষ্টির প্রথম ফোঁটার মতো সেই স্মৃতিগুলি আজও তার মনে প্রবল মায়া জাগায়।

তথ্য যাচাই

AI • Fact Check

ঘটনাপ্রবাহ

AI • Timeline
এই সংবাদটি শেয়ার করুন

মন্তব্য

3 মন্তব্য
  • আরিফ হাসান

    গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত, দ্রুত বাস্তবায়ন কামনা করি।

  • নাফিসা তাবাসসুম

    প্রতিবেদনটি খুবই তথ্যবহুল হয়েছে।

  • সজীব রায়

    বেসরকারি খাতেও সমন্বয় জরুরি।