বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬
নাগরিকবার্তা২৪
জীবনযাপন

প্রতিবাদ ও সংগ্রামে কাজী নজরুলের গানের আবেদন

কাজী নজরুল ইসলাম তার সৃষ্টির মাধ্যমে শোষণ, বঞ্চনা ও কুসংস্কারের প্রতিবাদ করেছেন, যা তার গানেও প্রতিফলিত হয়েছে। তার 'কারার ঐ লৌহ-কবাট' গানটি যুগ যুগ ধরে অনুপ্রেরণা জুগিয়ে আসছে।

নানাগরিক বার্তা ২৪ প্রতিবেদক১৬ জুলাই, ২০২৬ এ ০৪:০০ PM· 1 মিনিট পাঠ
প্রতিবাদ ও সংগ্রামে কাজী নজরুলের গানের আবেদন
প্রতিবাদ ও সংগ্রামে কাজী নজরুলের গানের আবেদন
পাঠ মোড
18

কাজী নজরুল ইসলাম, যিনি ১৯১৯ সালে লেখক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন, গল্প, কবিতা, উপন্যাস, প্রবন্ধ এবং নাটকের মতো সাহিত্যের বিভিন্ন ধারায় তার প্রতিভার স্বাক্ষর রেখেছেন। তিনি গানের জগতেও অদ্বিতীয় অবদান রেখেছেন, যেখানে তার দুই হাজারেরও বেশি গান রয়েছে বলে ধারণা করা হয়।

নজরুলের লেখার একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হলো বিদ্রোহ ও প্রতিবাদ। 'কারার ঐ লৌহ-কবাট' গানটি, যা মূলত একটি কবিতা হিসেবে রচিত হয়েছিল, মহাত্মা গান্ধীর সত্যাগ্রহ আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রচিত হয়। ১৯২১ সালের ডিসেম্বরে চিত্তরঞ্জন দাশ কারারুদ্ধ হলে, বাসন্তী দেবীর অনুরোধে নজরুল এই কবিতাটি লেখেন।

কবিতাটি ১৯২২ সালে 'বাঙ্গালার কথা' পত্রিকায় প্রকাশিত হয় এবং ১৯২৪ সালে 'ভাঙার গান' বইয়ে অন্তর্ভুক্ত হয়। ব্রিটিশ সরকার এটি নিষিদ্ধ ঘোষণা করে। পরে ১৯৪৯ সালে এটি প্রথম রেকর্ড করা হয় এবং 'চট্টগ্রাম অস্ত্রাগার লুণ্ঠন' চলচ্চিত্রে ব্যবহৃত হয়।

'কারার ঐ লৌহ-কবাট' গানটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামেও অনুপ্রেরণা যুগিয়েছিল। ১৯৭০ সালে জহির রায়হানের 'জীবন থেকে নেয়া' চলচ্চিত্রে এর ব্যবহার পাকিস্তানি স্বৈরাচারী শাসনের বিরুদ্ধে এক বলিষ্ঠ প্রতিবাদ হিসেবে কাজ করে।

শুধুমাত্র 'কারার ঐ লৌহ-কবাট' নয়, নজরুলের অন্যান্য গান যেমন 'তোরা সব জয়ধ্বনি কর!' এবং 'এই শিকল-পরা ছল্ মোদের' পরাধীনতার শৃঙ্খল ভাঙতে এবং সমাজে বিদ্যমান অন্যায্য বন্ধন ছিন্ন করতে মানুষকে উদ্বুদ্ধ করেছে।

তথ্য যাচাই

AI • Fact Check

ঘটনাপ্রবাহ

AI • Timeline
এই সংবাদটি শেয়ার করুন

মন্তব্য

3 মন্তব্য
  • আরিফ হাসান

    গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত, দ্রুত বাস্তবায়ন কামনা করি।

  • নাফিসা তাবাসসুম

    প্রতিবেদনটি খুবই তথ্যবহুল হয়েছে।

  • সজীব রায়

    বেসরকারি খাতেও সমন্বয় জরুরি।